দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টাঙ্গাইলে লিখিত অভিযোগ ছাড়াই দুইজন বেকু (মাটিকাটা যন্ত্র) চালককে আটক করে থানায় নেওয়ার পর ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, মুচলেকা নিয়ে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বড় বাশালিয়া এলাকা থেকে বেকু চালক রাশেদ হাসান ও শুভকে আটক করে সদর ফাঁড়ির এএসআই এনায়েত। পরে তাদের সদর থানায় নেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, আটক দুইজনকে পরে দীর্ঘ সময় থানায় রাখার পর একটি বালু ব্যবসায়ী বাশারের মাধ্যমে মীমাংসা করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানার এক এসআইয়ের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
তবে বালু ব্যবসায়ী বাশার দাবি করেন, কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। তার মাধ্যমে শুধু বিষয়টি মীমাংসা করে দুইজনকে ছাড়ানো হয়েছে।
মগড়া ইউনিয়নের বিএনপি নেতা জিন্নাত হোসেন বলেন, থানায় কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ ছিল না। পরে আটক করা হয়, তবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কিনা জানি না।
অভিযুক্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাফিউল করিম বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে তাদের থানায় আনা হয়েছিল। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে টাকা নেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন বলেন, মগড়া ইউনিয়নের এক নেতার মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছিল। পরে দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে আপস-মীমাংসা করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। টাকা লেনদেনের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
এদিকে টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. উমর ফারুক বলেন, লিখিত অভিযোগ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া পুলিশ কাউকে আটক করতে পারে না এ ধরনের আটক আইনসিদ্ধ নয়।
জে আই